বুধবার আইডিইবি ৫৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও সপ্তাহব্যাপী গণপ্রকৌশল দিবস

৭ নভেম্বর, ২০২৩ ১৮:১৭  

৮ নভেম্বর ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশের (আইডিইবি) ৫৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। একই দিন গণপ্রকৌশল দিবস। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও দিবস উপলক্ষে সপ্তাহব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা করেছে সংগঠনটি।  জাতীয় টেকসই উন্নয়নে আগামীর চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় গণমানুষণের উদ্ভাবনী ধারণা ও উদ্যোক্তা বিকাশের বিষয়টি সামনে রেখে পালিত হবে কর্মসূচিগুলো।

‘উন্নয়নের জন্য উদ্ভাবন ও উদ্যোক্তা নীতি’ প্রতিপাদ্যে বুধবার সকালে কাকরাইলের আইডিইবি মিলনায়তনে কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ।

সাত দিনের কর্মসূচি বিষয়ে আইডিইবির সাধারণ সম্পাদক শামসুর রহমান জানিয়েছেন রাজধানী ঢাকাসহ দেশব্যাপী চলবে আলোচনা সভা ও আনন্দ র‌্যালি করবেন প্রকৌশলীরা। এছাড়াও বাংলাদেশ টেলিভিশন ও বাংলাদেশ বেতারে বিশেষ আলেখ্যানুষ্ঠান সম্প্রচার করা হবে। এছাড়াও ৮-১৪ নভেম্বর দেশব্যাপী বিনামূল্যে প্রযুক্তি পরামর্শ সেবা প্রদান করা হবে।

কর্মসূচি অনুযায়ী ১২ নভেম্বর আইডিইবি ভবনে সেমিনার এবং ১৪ নভেম্বর ঢাকায় নবীন প্রবীণ সম্মিলন ও সমাপনী অনুষ্ঠান হবে বলে জানিয়ছেন সংগঠনের সভাপতি এ কে এম এ হামিদ।

এর আগে দিবস নিয়ে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে চিকিৎসকদের মতো কারিগরিতে বিশেষ ব্যবস্থায় শিক্ষক নিয়োগের দাবি জানিয়েছিলো দেশের ৫ লাখ ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারদের সংগঠন ইনস্টিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশের (আইডিইবি)।

তখন আইডিইবি সভাপতি বলেছিলেন, সরকারের প্রতিশ্রুতি ছিল কারিগরি শিক্ষার ভর্তি হার ২০২০ সালের ২০ শতাংশ, ২০৩০ সালে ৩০ শতাংশ এবং ২০৪০ সালে ৫০ শতাংশে উন্নীত করবে। কিন্তু বাস্তবে ২০২০ সালের টার্গেট পূরণ হয়নি। সামনে টার্গেট কতটুকু পূরণ হবে, তা নিয়ে আমরা সন্দিহান। কারণ মানসম্মত শিক্ষার চেয়ে স্ট্রাকচারে (অবকাঠামো) বেশি মনোযোগ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের। শিক্ষিত বেকার তৈরি বন্ধ করতে হলে কারিগরি শিক্ষার প্রতি শুধু মনযোগ নয়, দৃষ্টিভঙ্গি বদলাতে হবে। কেননা, ৮২ শতাংশ শিক্ষক পদ ফাঁকা থাকারও পরও তা পূরণ করতে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সদিচ্ছার যথেষ্ট ঘাটতি দেখা যাচ্ছে। শিক্ষক নিয়োগের সার্কুলার দিলেও তা আমলাতান্ত্রিক জটিলতায় দীর্ঘদিন ঘরে পড়ে আছে।